|
২৯
মে
২০১১
বার্তা
সম্পাদক
সমীপে
সংবাদপত্রে
প্রকাশার্থে
দৈনিক/
সাপ্তাহিক/
পাক্ষিক/
বাসস/
বিটিভি/
এটিএন
বাংলা/
এন
টিভি/
চ্যানেল
আই/
ইউএনবি/
চ্যানেল
ওয়ান/
এনটিভি/
বৈশাখী
চ্যানেল/
বাংলা
ভিশন/
ডিডি
বাংলা-
খাস
খবর।
বিষয়:
আন্তর্জাতিক
নারী
স্বাস্থ্য
ও
নিরাপদ
মাতৃত্ব
দিবস
উপলক্ষে
বাংলাদেশ
মহিলা
পরিষদের
আলোচনা
সভা
অনুষ্ঠিত
।
নারীর
স্বাস্থ্য
অধিকার
প্রতিষ্ঠার
লক্ষে
জেন্ডার
সংবেদনশীল
স্বাস্থ্যনীতি
প্রণয়ন
ও
বাস্তবায়ন,
স্বাস্থ্যনীতিতে
সংবিধানের
সমঅধিকার,
জাতিসংঘের
নারীর
প্রতি
সকল
প্রকার
বৈষম্য
বিলোপের
দলিল,
কায়রো
জনসংখ্যা
উন্নয়ন
সম্মেলন,
বেইজিং
কর্মপরিকল্পনায়
অন্তর্ভুক্ত
স্বাস্থ্যঅধিকার
বিষয়সমূহ,
নারী
স্বাস্থ্যের
উন্নয়ন
খাতে
বাজেটে
সুনির্দিষ্ট
বরাদ্দ,
মাতৃমৃত্যু
রোধে
সামাজিক
আন্দোলন
ও
এ
লক্ষে
নারীর
ক্ষমতায়
নিশ্চিত
করার
দাবিসহ
৩০
টি
সুপারিশ
নিয়ে
বাংলাদেশ
মহিলা
পরিষদের
উদ্যোগে
আজ
২৯
মে
২০১১
রবিবার
বিকেলে
সিরডাপ
মিলনায়তনে
আলোচনার
সভা
অনুষ্ঠিত
হয়।
সভায়
বিশেষ
অতিথি
হিসেবে
উপস্থিত
ছিলেন
আইসিডিডিআরবির
উপ-নির্বাহী
পরিচালক
জনাব
আব্বাস
ভুঁইয়া।
সভায়
নারীর
ক্ষমতায়নে
স্বাস্থ্য
অধিকার :
জাতীয়
ও
আন্তর্জাতিক
ঘোষণাসমূহ
সম্পর্কে
মূলপ্রবন্ধ
উপস্থাপন
করেন
ন্যাশানাল
ইনস্টিটিউট
অব
প্রিভেনটিভ
এন্ড
সোশ্যাল
মেডিসিনের
ডিপার্টমেন্ট
অব
এপিডেমিওলোজির
সহযোগী
অধ্যাপক
ডা.মীরজাদী
সেব্রিনা
ফ্লোরা
এবং
নারীর
স্বাস্থ্য
:
বাংলাদেশ
প্রেক্ষিত
বিষয়ে
মূলপ্রবন্ধ
উপস্থাপন
করেন
ল্যাব
এইড
স্পেশালাইজড
হাসপাতালের
অবস্
গাইনি
বিভাগের
চিফ
কনসাল্টট্যান্ট
অধ্যাপক
ডা:
লায়লা
আরজুমান্দ
বানু।
প্যানেল
আলোচক
হিসেবে
উপস্থিত
ছিলেন
ঢাকা
মেডিকেল
কলেজ
হাসপাতালের
অবস্
গাইনী
বিভাগের
বিভাগীয়
প্রধান
অধ্যাপক
ডা.
ফেরদৌসী
ইসলাম
ও
বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিব
মেডিকেল
বিশ্ববিদ্যালয়ের
অবস্
গাইনী
বিভাগের
অধ্যাপক
ডা.
সালেহা
বেগম
চৌধুরী।
সভায়
সভাপতিত্ব
করেন
সংগঠনের
ভারপ্রাপ্ত
সভাপতি
ডা.
ফওজিয়া
মোসলেম।
স্বাগত
বক্তব্য
রাখেন
সাধারণ
সম্পাদক
মালেকা
বানু
।
মূল
প্রবন্ধ
উপস্থাপন
করেন
অধ্যাপক
ডা.
মীরজাদী
সেব্রিনা
ফ্লোরা
বলেন,
বাংলাদেশে
জাতীয়
জীবনে
নারীর
অবস্থান
ও
অংশগ্রহণ
বিশেষভাবে
দৃশ্যমান
হয়
না
।
বিভিন্ন
আন্তর্জাতিক
জরিপে
আমাদের
জাতীয়
রাজনৈতিক,
অর্থনৈতিক,
সামাজিক
ও
সাংস্কৃতিক
ক্ষেত্রে
নারীদের
অবদান
ও
অংশগ্রহণ
নগন্য
পর্যায়ে
আছে
বলে
উল্লেখ
করা
হয়েছে
।
তিনি
বাংলাদেশের
সংবিধান
এবং
সিডও,
আইসিপিডি,
বেইজিং
কর্মপরিকল্পনাসহ
আন্তর্জাতিক
সনদগুলোতে
নারীদের
অধিকার
ও
অংশগ্রহণ
বিষয়ে
নীতিমালাগুলো
উল্লেখ
করে
বর্তমানে
আমাদের
রাষ্ট্র
ও
সমাজে
নারীদের
অধিকার
ও
সুযোগের
বঞ্চনার
বিষয়গুলো
তুলে
ধরেন।
যদিও
এসব
আন্তর্জাতিক
সনদে
বাংলাদেশ
রাষ্ট্র
হিসেবে
স্বাক্ষর
করছে
এবং
এসব
নীতিমালা
বাস্তবায়নে
অঙ্গকারবদ্ধ
।
তিনি
রিপ্রোডাক্টিভ
হেলথ
রাইটস
বিষয়ে
কথা
বলেন,
যেখানে
নারী
তার
বিবাহ,
সন্তানধারণসহ
প্রজনন
স্বাস্থ্য
বিষয়ে
সিদ্ধান্ত
নিতে
পারে
এবং
প্রয়োজনীয়ত
তথ্য
জানতে
পারে
।
নারীর
স্বাস্থ্য
শুধুমাত্র
মাতৃত্বকালীন
প্রজনন
স্বাস্থ্য
হিসাব
করলে
হবে
না।
কন্যা
শিশুর
স্বাস্থ্য,
বয়ঃসন্ধিতে
নারীর
স্বাস্থ্য,
মাতৃত্বকালীন
স্বাস্থ্য
ও
বৃদ্ধ
নারীর
স্বাস্থ্য
সেবার
বিষয়গুলোকে
একইসাথে
গুরুত্ব
দিতে
হবে
বলে
উল্লেখ
করেন
।
বিশেষ
অতিথি
জনাব
আব্বাস
ভুঁইয়া
বলেন,
নারীর
প্রতি
সামাজিক
অবহেলা,
বৈষম্য,
নির্যাতন
টিকিয়ে
রেখে
নিরাপদ
স্বাস্থ্য
নিশ্চিত
করা
সম্ভব
নয়
।
এ
জন্য
প্রয়োজন
সামাজিক
সচেতনতা
।
যদিও
জাতীয়
নারী
উন্নয়ন
নীতি
হয়েছে,
অথবা
বাজেটে
বরাদ্দ
হয়েছে
।
কিন্তু
এ
বিষয়ে
গবেষণা
করা
উচিত
।
ন্যূনতম
শিক্ষিত
মায়েদের
শিশুমৃত্যুর
হার
কম
।
কিন্তু
মৃত্যুর
হার
কম
হলেই
নারী
স্বাস্থ্য
নিশ্চিত
হবে
না
।
প্রসবকালীন
স্বাস্থ্য
ও
প্রজনন
স্বাস্থ্যের
ঝুঁকির
পিছনের
কারণগুলো
চিহ্নিত
করে
তা
সমাধানের
ব্যবস্থা
নিতে
হবে
।
অধ্যাপক
লায়লা
আরজুমান্দ
বানু
বলেন,
মাতৃমৃত্যুর
হার
ও
পরিবার
পরিকল্পনায়
বাংলাদেশ
এমডিজি-এর
লক্ষ্যমাত্রা
অর্জনের
পথে
ভাল
অগ্রগতি
অর্জন
করেছে,
যদিও
কিশোরীদের
স্বাস্থ্য
ও
গভধারণের
হার
আশঙ্কাজনক
।
নারীদের
সিদ্ধান্তগ্রহণের
অধিকার,
ক্ষমতা
প্রয়োগ
করতে
হবে
তবেই
নারীর
স্বাস্থ্য
তথা
নারীর
অধিকার
প্রতিষ্ঠা
সম্ভব
হবে
।
সাধারণ
সম্পাদক
মালেকা
বানু
বলেন,
নারীর
ক্ষমতায়নের
আন্দোলনের
সঙ্গে
নারী-পুরুষের
সমতা
প্রতিষ্ঠার
আন্দোলনে
নারীর
স্বাস্থ্য
অধিকারের
বিষয়টি
অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ।
নারীর
স্বাস্থ্য,
নারীর
যৌন
স্বাস্থ্য
অধিকার,
নারীর
প্রজনন
স্বাস্থ্য
অধিকারের
বিষয়টি
আন্তর্জাতিক
ঘোষণাসমূহে
অত্যন্ত
গুরুত্বের
সঙ্গে
গৃহীত
হয়েছে
।
নারীর
মাতৃত্বকে
নিরাপদ
করার
বিষয়ে
প্রসবকালীন
সময়ের
ঝুঁকিকে
নির্ধারণ
করা
হয়েছে
।
এই
ঝুঁকির
পরিমাণ
গ্রহণযোগ্য
মাত্রায়
কমিয়ে
আনতে
হবে
।
কিন্তু
নারীর
প্রতি
বৈষম্য
টিকিয়ে
রেখে
মাতৃমৃত্যুর
হার
কমানো
সম্ভব
নয়
।
এজন্য
সহিংসতামুক্ত,
অসাম্প্রদায়িক,
গণতান্ত্রিক
ও
মানবিক
পরিবেশ,
নারী-পুরুষের
বৈষম্যমুক্ত
পরিবেশ,
দাম্পত্য
জীবনে
যে
অনিশ্চয়তা
রয়েছে
নিশ্চিত
করতে
না
পারলে
এই
মৃত্যুর
হার
কমানো
সম্ভব
নয়
।
এই
ঝুঁকি
এড়াতে
হলে
জন্ম
থেকে
নারী
প্রতি
আচরণ,
খাদ্য-পুষ্টি,
তার
সামগ্রিক
স্বাস্থ্যকে
নিশ্চিত
করতে
হবে
।
মাতৃত্বের
মধ্য
দিয়ে
সমাজ
সভ্যতাকে
নারী
এগিয়ে
নিয়ে
যাচ্ছে
।
সুতরাং
নারীর
প্রতি
বৈষম্যমূলক
দৃষ্টিভঙ্গি
পরিবর্তন
করতে
হবে
।
মাতৃত্বকালীন
ভাতা
যেন
যথাযথ
ব্যক্তির
কাছে
পৌঁছায়
সে
ব্যবস্থা
করতে
হবে
।
মাতৃত্বকালীন
ছুটি
ইতিবাচক
দৃষ্টিতে
দেখতে
হবে
।
তিনি
সরকারের
সামগ্রিক
দৃষ্টিভঙ্গির
মাধ্যমে
জেন্ডার
সংবেদনশীল
বাজেট
প্রণয়ন
এবং
তা
বাস্তবায়নের
মধ্য
দিয়ে
কর্মপরিকল্পনা
গ্রহণের
আহ্বান
জানান
।
ডা.
ফওজিয়া
মোসলেম
বলেন,
একটি
সার্বিক
দৃষ্টিতে
মহিলা
পরিষদ
নারী
আন্দোলনকে
দেখে
এই
আন্দোলনের
ধারাবাহিকতায়
নারীর
স্বাস্থ্য
অধিকারকে
সংযুক্ত
করে
দেখতে
চাই
।
নারীর
সামগ্রিক
জীবনচক্র
মাতৃত্বকে
কেন্দ্র
করেই
চলে
।
এর
সঙ্গে
অপরাপর
বিষয়ও
যুক্ত
।
নারী
নির্যাতনের
সঙ্গে
নারীর
নিরাপদ
মাতৃত্বের
বিষয়টি
জড়িত
।
সম্পত্তিতে
নারীর
কোনো
অধিকার
নেই
।
নারী
পুরুষের
অসমতা,
শিক্ষা
জীবনে
নারীর
বৈষম্য,
কর্মক্ষেত্রে
নারীর
উপযুক্ত
পরিবেশের
অভাবÑ
ইত্যাদি
নানান
বিষয়ের
প্রতি
দৃষ্টি
দেওয়া
উচিত
।
এই
প্রেক্ষিতে
নারীর
নিরাপদ
স্বাস্থ্য
নিশ্চিত
করার
জন্য
নারীর
ক্ষমতায়ন
প্রয়োজন
।
মুক্ত
আলোচনায়
অংশগ্রহণ
করেন
অধ্যাপক
ফেরদৌসী
ইসলাম,
ডা.
লায়লা
পারভীন
বানু,
ফরিদা
আক্তার,
গবেষক
মলয়কান্তি
মৃধা
ও
ডা.
আশরাফুন্নেসা
পিয়া
।
অধ্যাপক
খুরশিদ
জাহান
সংগঠনের
সুপারিশসমূহ
উপস্থাপন
করেন
।
সভা
পরিচালনা
করেন
সংগঠনের
সম্পাদক,
স্বাস্থ্য,
পরিবেশ
ও
সমাজকল্যাণ
সম্পাদক
অধ্যাপক
ডা.
লায়লা
আনজুমান
বানু
।
বার্তা
প্রেরক-
মালেকা
বানু
সাধারণ
সম্পাদক
কেন্দ্রীয়
কমিটি,
বাংলাদেশ
মহিলা
পরিষদ |